সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্কঃ কারাগারগুলো হতে পারতো রাষ্ট্রের ক্রিয়েটিভ সম্পদ। এগুলো এখন হয়ে গেছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার টর্চার সেল। কারাগার থেকে যারাই বের হয় তাদের নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। গত আড়াই বছরে কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও কম নয়। নিশ্চয়ই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সেই হিসাব আছে।
হিটলারের সবচেয়ে আলোচিত বই ‘মাই ক্যাম্প’ লেখা হয়েছে কারাগারে বসেই। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী কারাগারেই বসে লেখা। নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী ও প্রতিদিনের ডায়েরী কারাগারেই লেখা। নেহেরুর ‘বিশ্ব ইতিহাস প্রসঙ্গ’ প্রতিদিনই কারাগারে লিখেছেন। আন্তনিও গ্রামসির ‘প্রিজনস নোটবুক’ আজ বিশ্বে বহুভাষায় পঠিত।
যেসব সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, রাজনৈতিক নেতা কারাগারে ডিভিশন পান না তাদের জন্য কারাগার হচ্ছে একটা অভিশপ্ত জায়গা। আবার যারা ডিভিশন পান সেখানেও থাকে নানা বঞ্চনা। সেখানে প্রাণ থাকে না, শুধু দেহটা কোনরকমে টিকে থাকে। অথচ কারাগারই হতে পারতো সংশোধন ও ক্রিয়েটিভনেস দেখানোর শ্রেষ্ঠ জায়গা। কেন জানি মনে হয়, সমাজে সবকিছু মরে গেছে। শুধু বেঁচে আছে প্রতিহিংসা। এই প্রতিহিংসার বীজ কবে নির্মূল হবে কারোরই জানা নেই।
লেখকঃ
আক্তার হোসেন
সাংবাদিক নেতা