• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুই সাংবাদিক নেতাকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ফোরাম কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ডিএসসিসির ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা আটক তারেক রহমানের সফর নিয়ে জানানোর মতো তথ্য নেই: নয়াদিল্লি বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক: বন্ধুত্ব, শীতলতা নাকি নতুন কৌশলগত বাস্তবতা? ময়মনসিংহে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ : কৃষিমন্ত্রী মাদক নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ছিনতাইকারীর কবলে অভিনেতা হারুন

Un24admin
আপডেটঃ : রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫

আনলিমিটেড নিউজ ডেস্কঃ শুটিং শেষে বাসায় ফিরছিলেন অভিনেতা হারুন রশিদ। পথিমধ্যে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন, সঙ্গে থাকা টাকাপয়সা নিয়ে যায় তারা। এ নিয়ে সাবধান করে এই অভিনেতা লিখেছেন, ‘আজকে আমি কট খেয়েছি কাল আপনি খেতে পারেন।’

শনিবার (১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে ৩০০ ফিট এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হন তিনি। পরে বাসায় ফিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাইকে সাবধান করে একটি পোস্ট দেন অভিনেতা হারুন রশিদ।

ওই পোস্টে তিনি লিখেন, “কাঞ্চন ৩০০ ফিট থেকে কুড়িল বিশ্বরোড রাত-বিরাতে সাবধানে। আজকে আমি কট খেয়েছি কাল আপনি খেতে পারেন। ওই রোডে রাতে সিএনজি স্টার্ট বন্ধ হলে ধরে নেবেন আপনি কট। যেমনটা আমার হয়েছে। শরীরের উপর দিয়া যায় নাই, টাকার ওপর দিয়ে গেছে। নাটক করি বলে মোবাইলটা দিয়া গেছে। ধন্যবাদ ছিনতাইকারী ভাইয়েরা।”

হারুন রশিদ লিখেছেন, “৩০০ ফিটে রূপগঞ্জে ম্যাডামের বাড়ি বলে পরিচিত স্থানে দুই দিনের শুটিং ছিল তার। সেখান থেকে ফেরার পথে নীলা মার্কেটের কাছাকাছি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে নয় হাজার টাকা খোয়া যায়।”

তিনি আরও লেখেন, “কাঞ্চন থেকে পাঁচ-সাত মিনিট যাওয়ার পর নীলা মার্কেট পার হওয়ার আগে বাম দিকের রাস্তাটায় একটু অন্ধকার। ওখানেই ঘটনাটি ঘটেছে। আমি সিএনজিতে ছিলাম। ওই জায়গায় সিএনজিটা থামায়। ৩০-৪০ সেকেন্ডের মধ্যে দুটি বাইক চলে আসে। সিএনজি চালক বলছিলেন, গ্যাসের সমস্যা হয়েছে, গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না। এরকম ঘটনা আগে অনেক শুনেছি। তাই যখনই সে বলছিল, স্টার্ট নিচ্ছে না তখনই ভাবছিলাম আমি বোধহয় বিপদে পড়লাম। তখনই বাইক দুটি আসে। ওদের হাতে চাপাতি ছিল। শুনেছি চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়। সে কারণে ওরা বলার সঙ্গে সঙ্গে মানিব্যাগ, মোবাইল দিয়ে দেই। সঙ্গে ব্যাগ ছিল। খুব স্মার্ট ছেলেপেলে। বলছিল, ব্যাগে জামা কাপড় ছাড়া কিছু নাই।”

“অন্য এক ছেলে বলছিল, উনি তো অভিনয় করেন। ওনার মোবাইলটা নিস না। নিলে আমরা ঝামেলায় পড়ব। টাকাগুলো নিয়ে ওনাকে বিদায় কর। আমাকে শুনিয়েই কথাগুলো বলছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কাজটি হয়ে গেল। এরপর ওরা বাম দিকের রোড দিয়ে ঝড়ের বেগে চলে গেল।”

হারুন রশিদ বলেন, “এরপর আমি নির্বাক হয়ে ফুটপাতে বসে রইলাম। অনেক গাড়ি যাচ্ছিল। কিন্তু হাত নাড়া সত্ত্বেও থামছিল না। পরে একটি বাইক থামে। ঘটনা খুলে বললে তিনি আমাকে পৌঁছে দেন।”

অভিনেতা আরও বলেন, “আমি রাত বিরাতে কোথাও যাই না। গেলে ইউনিটের গাড়ি ব্যবহার করি। আজকেও ওরা ইউনিটের গাড়িতে যেতে বলছিল। কিন্তু আমি ভাবলাম ইউনিটের গাড়িতে গেলে রাত দুইটা-তিনটা বাজবে। তাই একা আসছিলাম। আর এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হলাম।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ