জাতীয় ডেস্কঃ জনসমর্থন না থাকায় আওয়ামী লীগের দোসররা নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে । নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
আজ রোববার কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী। আর যারা করছে, তারা জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিস্ট পতিত সরকারের দোসর। তারা ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ডিসেম্বরে আন্দোলন করবে। কিন্তু আন্দোলন না করে তারা নাশকতা করছে। কারণ, এই দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে, তারা সবাই পলায়ন করেছে।
এখন পরাজিত এবং পলায়নকারী সেই শক্তির জনসমর্থন নেই। সেই কারণে তারা নাশকতা তৈরি করার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেল পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব জায়গা দিয়ে নাশকতাকারীরা রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আগুনটি মূল প্ল্যাটফর্মে লাগানো হয়নি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে আগুনের বিস্তার ঘটেনি।
স্টেশনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে। স্টেশনে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আগুন লাগার সময় ছিল রাত ১০টা ১৫ মিনিট। রাত সাড়ে ১০টার মধ্যেই আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে। আগুন দ্রুত নেভানো সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের বিস্তৃতি ঘটেনি।
আগে যে নিরাপত্তা ছিল, এখন তা আরও জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে কেউ কোনো অঘটন ঘটাতে না পারে। এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। তবে এর কারণে আর কোনো শিডিউল বিপর্যয় হবে না।