• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান পপুলার লাইফের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালন চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কার্যকর শেখাই হবে প্রাথমিক শিক্ষার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে মিলবে প্রণোদনা, গ্রিডে ইউনিটপ্রতি ১০.৫০ টাকা হঠাৎ খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএসসিসি প্রশাসক- অনিয়মে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করলেন আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপ

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

Un24admin
আপডেটঃ : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্কঃ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি এবং পদোন্নতি কেন্দ্র করে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং অপর তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্য যে তিনজনের বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করেছে, তারা হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশন চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত এই দলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী পরিচালক মো. নাসরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বর্তমান দায়িত্ব বাতিল করে পুনরায় নতুন পদায়নের আদেশের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্য একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পছন্দের জায়গায় পদায়নের বিনিময়ে কিছু কর্মকর্তার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পদোন্নতি এবং পদায়ন সংক্রান্ত এই অনিয়মে মোট আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

এছাড়া যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেট অধিদপ্তরের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং কেনাকাটায় অনিয়মের সঙ্গে জড়িত এবং সেই অবৈধ অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তারা এখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের তদন্ত করবে এবং কোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় কি না তা খতিয়ে দেখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ