• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসির বিশেষ ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুর জেনিথ ইসলামী লাইফের ব্যবসায় উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল লাইফে পুরস্কার বিতরণ ও মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিভাগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মেটলাইফ অ্যাপে এআইভিত্তিক ৩৬০ হেলথ স্কোর চালু সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা, নাকি ষড়যন্ত্র—খতিয়ে দেখা দরকার: রিজভী উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ মায়ামি বিমানবন্দরে আমাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ ‘দৌড় দিবি না’ বলে যাত্রাবাড়ীতে গুলি, একজন খুন, আহত ১ বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

Un24admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক রিপোর্টঃ করোনাকালে রোগীদের নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির। তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০২০ সালে আলোচনায় আসে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল। ওই বছরের ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনা সনদ প্রদান, প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এরপর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও এর মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। একই দিন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সাহেদ। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে কারামুক্ত করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ