• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য পেতে যেসব আমল জরুরি

Un24admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইসলাম ডেস্কঃ আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো কাজে সফলতা লাভ করা যায় না। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে এমন বহু দোয়া বর্ণিত হয়েছে, যা বিপদ, দুশ্চিন্তা বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্য লাভে অত্যন্ত কার্যকর। আমাদের প্রিয়নবী (স.) নিজেও এসব দোয়া করতেন এবং সাহাবিদেরকে তা শিখিয়েছেন।

দোয়া ইউনুস

কঠিন বিপদে পড়ে যখন কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন এই দোয়া পাঠ করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ। মাছের পেটে হজরত ইউনুস (আ.) এই দোয়াটি পাঠ করে মুক্তি পেয়েছিলেন।

لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ-জালিমীন।

অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।

এক ব্যক্তি জানতে চান, আল্লাহর সাহায্য লাভের উপায় কী? তার উত্তরে ঢাকা উত্তরার জামিয়া ইমাম বুখারীর মুফতী ও মুহাদ্দিস সাইদুজ্জামান কাসেমি বলেন, আল্লাহর সাহায্য লাভের প্রধান উপায়সমূহ হলো-

সালাত ও ধৈর্য ধারণ: কঠিন সময়ে সালাত ও ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে নির্দেশ দিয়েছেন।

وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ

‘আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী লোক ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন।’ (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৪৫)

একনিষ্ঠভাবে দোয়া করা: সব ধরনের শিরক ও আত্মঅহংকার ত্যাগ করে পূর্ণ একনিষ্ঠতার সঙ্গে একমাত্র আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

‘আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই কাছে সাহায্য চাই।’ (সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫)

তওবা ও ইস্তিগফার: বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, কারণ নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে বিপদ-আপদ দূর হয় এবং আসমানি সাহায্য নেমে আসে।

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ۝ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا

‘অতঃপর আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন (রহমত ও সাহায্য পাঠাবেন)।’ (সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১১)

সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ: সমাজের ভালো কাজের প্রসার ঘটানো এবং অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ

‘হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে (আল্লাহর দ্বীনকে) সাহায্য করো, তবে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পা স্থির রাখবেন।’ (সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ৭)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ