• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সবুজবাগে ত্রিভুজ প্রেমের দ্বন্দ্বে কাতার প্রবাসী যুবক খুন শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ৪৮০ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ পদত্যাগ করলেন ৫ আইন কর্মকর্তা ধাওয়া করে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসির বিশেষ ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুর জেনিথ ইসলামী লাইফের ব্যবসায় উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল লাইফে পুরস্কার বিতরণ ও মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিভাগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মেটলাইফ অ্যাপে এআইভিত্তিক ৩৬০ হেলথ স্কোর চালু সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা, নাকি ষড়যন্ত্র—খতিয়ে দেখা দরকার: রিজভী

‘আ.লীগ ট্যাগ’ দিয়ে চিকিৎসককে বিবস্ত্র করে মারধর

Un24admin
আপডেটঃ : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

আনলিমিটেড নিউজ ডেস্কঃ ‘আওয়ামী লীগ’ ট্যাগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চিকিৎসককে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একদল বহিরাগতের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ মারধরের ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তিনজনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগী মো. গোলাম আজম ফয়সাল চিকিৎসা কেন্দ্রেই ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে কর্মরত। হামলার পর গুরুতর আহতাবস্থায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা কেন্দ্রের ২৩ নম্বর কক্ষে ফয়সাল ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন। প্রথমে একজন বহিরাগত এসে ফয়সালের পরিচয় নিশ্চিত করে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই ৭-৮ জন কক্ষে প্রবেশ করে ফয়সালকে ‘আওয়ামী লীগের আমলে চাকরি পেয়েছে’ অ্যাখ্যা দিয়ে এবং কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই মারধর শুরু করে।

এক পর্যায়ে তারা ফয়সালকে টেনেহিঁচড়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের বাইরে নিয়ে আসে এবং এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। মারধর শেষে যাওয়ার সময় যারা হামলার দৃশ্য ভিডিও করার চেষ্টা করলে তারা তিনজনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী গোলাম আযম ফয়সাল বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে একজন আরেকজনকে ‘জনি, আর মারিস না’ বলে থামায়। চলে যাওয়ার সময় তারা আমাকে চাকরিচ্যুত করার হুমকিও দিয়ে যায়।

নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই একটি ভাড়া বাসায় থাকি। খুব আতঙ্কে দিন পার করছি।” হামলাকারীদের কাউকে চেনেন না বলে মামলার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান তিনি।

চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসক মাফরুহা সিদ্দিকা লিপি বলেন, ফয়সাল আগে আওয়ামী লীগের মিছিল মিটিংয়ে যেত বলে আমরা শুনেছি। এ ঘটনায় আমরা সবাই আতঙ্কিত। কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে আমাদের পক্ষে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তাকে বহিরাগতরা অত্যন্ত নির্মম ও অমানবিকভাবে প্রহার করেছে। আমরা জনি নামে একজনের কথা শুনেছি, যার নেতৃত্বে এই হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।

উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, আমি মাত্র বিষয়টি জানতে পারছি। এ বিষয়ে প্রক্টর স্যারের সঙ্গে কথা বলব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ