• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

Un24admin
আপডেটঃ : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ টেস্ট ও ওয়ানডেতে হারলেও জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে সফরকারী বাংলাদেশ। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিম্বাবুয়ের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

রোববার সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে।

প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হারলেও দ্বিতীয়টি ৩৪ রানে জিতে সিরিজে সমতায় ফেরায় টাইগাররা। চলতি সফরে জিম্বাবুয়ের কাছে এক ম্যাচের টেস্ট ১-০ ব্যবধানে এবং তিন ম্যাচের ওয়ানডে ২-১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।

এ নিয়ে জিম্বাবুয়ের মাটিতে দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে একটি করে সিরিজে ড্র ও হারের স্বাদ পেয়েছিল টাইগাররা। ২০২১ সালে প্রথম ও শেষবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

চলতি বছর তৃতীয় সিরিজে এসে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত আগের দুই সিরিজে নিউজিল্যান্ডের সাথে ১-১’এ ড্র এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ।

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ স্পিনার মাহেদি হাসানের বলে এক্সট্রা কাভারে ইয়াসির আলি চৌধুরির হাতে ধরা পড়েন ওপেনার টাদিওয়ানাশে মারুমানি। ৪ রান করেন তিনি।

শুরুর ধাক্কা দারুনভাবে সামাল দেন আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স। পাওয়ার প্লেতে দলকে ৪০ রান এনে দেওয়ার পর অর্ধশতক পূর্ণ করেন তারা।

হাফ-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ১১তম ওভারে দলীয় ৭৭ রানে বাংলাদেশ পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে বোল্ড হন বেনেট। ৮টি চারে ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে মায়ার্সের সাথে ৫৫ বলে ৭১ রান যোগ করেন বেনেট।

তৃতীয় উইকেটে ২৩ বলে ৩০ রান যোগ করে জিম্বাবুয়ের রান ১শ পার করেন মায়ার্স ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ৩ রানে রাজাকে থামিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পান বাংলাদেশ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

দলীয় ১০৭ রানে রাজা ফেরার পর জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন মায়ার্স ও রায়ান বার্ল। ১৭ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১২৭ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে।

তবে শেষ ৩ ওভারে বাংলাদেশের বোলার ও ফিল্ডারদের নৈপুন্যে ১৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ফলে বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের।

শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান করে জিম্বাবুয়ে।

শেষ ৪ উইকেটের দু’টি রান আউট এবং বাকী দুই উইকেট ভাগাভাগি করেন আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন ও সাইফুদ্দিন।

এক প্রান্ত আগলে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন মায়ার্স। তার ৫৩ বলের ইনিংসে ৭ চার ও ২ ছক্কা ছিল।

সাইফুদ্দিন ৩৫ রানে ২টি, মাহেদি-রিশাদ ও সাকলাইন ১টি করে উইকেট নেন।

১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে পেসার রিচার্ড এনগারাভার বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে ব্লেসিং মুজারাবানির হাতে ধরা পড়েন ওপেনার সাইফ হাসান। ৪ রান করেন তিনি।

শুরুতে উইকেট পতনে সাবধানে খেলতে থাকেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান ও নতুন ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। এতে পাওয়ার প্লেতে ৩০ রান পায় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লে শেষ হবার পর রানের গতি বাড়িয়ে অষ্টম ওভারে দলের রান ৫০এ নেন তারা।

নবম ওভারে ইমনকে থামিয়ে জুটি ভাঙ্গেন জিম্বাবুয়ের স্পিনার রাজা। ১ চার ও ২ ছক্কায় ২২ বলে ২৪ রান করেন ইমন। দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদের সাথে ৪৭ বলে ৫৫ রানের জুটি গড়েন তিনি।

দলীয় ৫৯ রানে ইমন ফেরার পর বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন তানজিদ ও অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। ১৪তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন তারা। পরের ওভারে টি-টোয়েন্টিতে ১৩তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ৪৫ বল খেলা তানজিদ।

১৬তম ওভারে দলীয় ১২২ রানে আউট হন হৃদয়। ১টি করে চার-ছক্কায় ১৯ বলে ২৪ রান করেন তিনি।

তানজিদের সাথে ৪৪ বলে ৬৩ রানের জুটি উপহার দেন টাইগার দলনেতা। নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসে ১০ রানে বিদায় নেন ইয়াসির আলি।

এরপর শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৫ রান দরকার পড়ে বাংলাদেশের। ইভান্সের প্রথম বলে ১ রান নেন তানজিদ। পরের দুই বলে মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফুদ্দিন আউট হলে ম্যাচ নিয়ে চিন্তায় পড়ে বাংলাদেশ।

শেষ ৩ বলে ৪ রানের দরকার ছিল বাংলাদেশের। ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে কভারের উপর দিয়ে বাউন্ডারি মেরে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মাহেদি।

১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৮ বলে ৬৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তানজিদ। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন মাহেদি। এনগারাভা-ইভান্স ও রাজা ২টি করে উইকেট নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ