• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসির বিশেষ ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুর জেনিথ ইসলামী লাইফের ব্যবসায় উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল লাইফে পুরস্কার বিতরণ ও মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিভাগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মেটলাইফ অ্যাপে এআইভিত্তিক ৩৬০ হেলথ স্কোর চালু সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা, নাকি ষড়যন্ত্র—খতিয়ে দেখা দরকার: রিজভী উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ মায়ামি বিমানবন্দরে আমাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ ‘দৌড় দিবি না’ বলে যাত্রাবাড়ীতে গুলি, একজন খুন, আহত ১ বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

ছাত্রদলের নেতা কাফির বিরুদ্ধে দোকানির ওপর হামলার অভিযোগ

Un24admin
আপডেটঃ : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফটোকপির দাম নিয়ে দরকষাকষিকে কেন্দ্র করে দোকানি ও কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে ‘হিমেল কম্পিউটার স্টেশনারি’ দোকানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল কাফি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কাফি তার এক আত্মীয়ের সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য কিছু কাগজ ফটোকপি করতে ওই দোকানে যান। ফটোকপি বাবদ দোকানি ২৮০ টাকা খরচ জানালে তিনি আপত্তি জানিয়ে ২০০ টাকা দিতে চান। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে দোকানি তার প্রিন্ট করা কাগজ ছুড়ে ফেলে দেন এবং কম্পিউটার স্ক্রিন বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে কাফি ও তার সাথীরা দোকানির ওপর হামলা চালায় ও দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে কাফি বলেন, ফটোকপির দাম নিয়ে দোকানি অন্যায্য দাবি করায় আমি সঠিক দামে তা করার জন্য দরকষাকষি করি। একপর্যায়ে দোকানি আমার কাগজ ছুড়ে ফেলে দেন এবং তার কর্মচারী আমাদের ওপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়েও যদি বাইরের কেউ আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করে তবে তা খুবই দুঃখজনক।

তবে কাগজ ছুড়ে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন ভুক্তভোগী দোকানদার। তিনি বলেন, ফটোকপি বাবদ বিল হয়েছিল ২৮০ টাকা, কিন্তু তিনি ২০০ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। আমি সবশেষ ২৫০ টাকা দিতে বললেও তিনি রাজি হননি। দোকান বন্ধ করার সময় হয়ে যাওয়ায় আমি তাকে জানাই যে আমি চলে যাবো, আপনি চাইলে এখানে আরও পাঁচটি দোকান আছে সেখানে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। এরপর আমি কম্পিউটার বন্ধ করায় কাফি উত্তেজিত হয়ে বলেন— কম্পিউটার বন্ধ কেন করলেন? আপনার দোকানই বন্ধ করে দেবো।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। উভয় পক্ষই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে। তবে এ ধরনের ঘটনা পরে ঘটলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ