• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেটে জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দুই সাংবাদিক নেতাকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ফোরাম কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ডিএসসিসির ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা আটক তারেক রহমানের সফর নিয়ে জানানোর মতো তথ্য নেই: নয়াদিল্লি বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক: বন্ধুত্ব, শীতলতা নাকি নতুন কৌশলগত বাস্তবতা? ময়মনসিংহে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ : কৃষিমন্ত্রী

কুরআন হাতে নিয়ে শপথ, ইতিহাস গড়লেন জোহরান মামদানি

Un24admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি। শপথ গ্রহণের সময় তিনি কুরআনে হাত রেখেছেন, নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে এর আগে কোনো মেয়রই কুরআনে হাত রেখে শপথ পাঠ করেননি।

তিনি আজ দুটি কুরআনে হাত রাখেন; একটি তার দাদার ব্যক্তিগত কুরআন এবং অন্যটি একটি পকেট-আকারের প্রাচীন কুরআন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সিটি হলের নিচে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি সাবওয়ে স্টেশনে। শপথ পাঠ করার সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী রামা দুওয়াজি।

সাধারণত নিউইয়র্কের মেয়ররা বাইবেলে হাত রেখে শপথ নিলেও আইন অনুযায়ী কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা নেই। তবুও মামদানির এই সিদ্ধান্ত শহরের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট নেতা জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র। একই সঙ্গে তিনি প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি, যিনি এই পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসস্থান ও সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি নিজের মুসলিম পরিচয় নিয়েও ছিলেন স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসী। নিয়মিত প্রচারণার মাধ্যমে তিনি দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম ভোটারদের মধ্যে শক্ত সমর্থন গড়ে তোলেন।

শপথে ব্যবহৃত প্রাচীন কুরআনটি নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির শোমবার্গ সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ব্ল্যাক কালচারের সংগ্রহের অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ১৮শ শতকের শেষভাগ বা ১৯শ শতকের শুরুর দিকের অটোমান আমলের পান্ডুলিপি, যা বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও জর্ডানের কোনো অঞ্চলে তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

কুরআনে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্তে কিছু রক্ষণশীল মহল সমালোচনা করলেও সমর্থকদের মতে, এটি নিউইয়র্ক সিটির বহুসাংস্কৃতিক ও বহুধর্মীয় পরিচয়ের প্রতিফলন। শপথ গ্রহণের পর প্রাচীন কুরআনটি জনসাধারণের জন্য নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ