• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগ সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার ২ বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় কৃষক দলের নেতা খুন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলাই জবাবহীন থাকবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস আজ অবসর নয় দেশের মানুষের পাশে থাকা’-র সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনা’র স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না : জামায়াত আমির ১০ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে ব্যক্তিগতভাবে: তথ্য উপদেষ্টা

আজ পবিত্র শবে মেরাজ

Un24admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫

আনলিমিটেড নিউজ ডেস্কঃ আজ পবিত্র শবে মেরাজ। পবিত্র শবে মেরাজ ইসলামের এক মহিমান্বিত রজনী। গত ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের আকাশে রজবের চাঁদ দেখা গেছে। আর ২ জানুয়ারি থেকে রজব মাস গণনা শুরু হয়। সেই হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র মিরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (লাইলাতুল মিরাজুন্নবী)।

ফারসি শব শব্দের অর্থ রাত ও আরবি মেরাজ শব্দের অর্থ ঊর্ধ্বারোহণ বা ঊর্ধ্বগমন। মহিমান্বিত এ রাতে দুনিয়া ও আখেরাতের সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক আল্লাহ তায়ালার হুকুমে আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) আরশে আজিম পর্যন্ত ঊর্ধ্বলোক গমনের সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন। এ সময় তিনি মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের দিদার লাভ করেন এবং আল্লাহর কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে একই রাতে আবার দুনিয়াতে ফিরে আসেন। এ কারণেই রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। মুসলিম বিশ্ব অলৌকিক ও ঐতিহাসিক এ ঘটনার স্মারক দিবস হিসেবে প্রতিবছর ২৬ রজবের দিবাগত রাতটিকে শবে মেরাজ হিসেবে পালন করে থাকে। বাংলাদেশেও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ মহিমান্বিত রাতটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ আদায়, জিকির-আসকার, দোয়া-দরুদ ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে পালন করবেন।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) নবুওত লাভের একাদশ বছরের রজব মাসে (৬২০ খ্রিস্টাব্দে) রাতে হজরত জিবরাইল (আ.) এর সঙ্গে বোরাক নামক বাহনে চড়ে প্রথমে পবিত্র কাবা থেকে পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত সফর করেন। সেখানে অন্যান্য নবী-রসুলের সঙ্গে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। তারপর সেখান থেকে সপ্তম আসমান পেরিয়ে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত সফরে হজরত জিবরাইল (আ.)-এর নবীজির (সা.) সঙ্গে পরিভ্রমণ করেন। এ সময় নবীজি (সা.) নভোম-ল, বেহেশত-দোজখ ও সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের সাক্ষাৎ লাভ করেন। পরে রফরফ নামক বাহনে চড়ে নবীজি (সা.) আল্লাহ রব্বুল আলামিনের আরশে আজিম পর্যন্ত যাওয়ার ও মহান রব্বুল আলামিনের দিদার লাভের সৌভাগ্য লাভ করেন। নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছ থেকে উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। প্রতিদিন নামাজে আত্তাহিয়্যাতু পাঠের মাধ্যমে উম্মতে মোহাম্মদী সেই ঘটনার সাক্ষ্য প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ