• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হঠাৎ খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএসসিসি প্রশাসক- অনিয়মে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করলেন আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর সাথে জেনিথ ইসলামী লাইফের সিইও’র সাক্ষাৎ মুন্সীগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০ পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী জেনিথ ইসলামী লাইফের বীমায় অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুই বছরের মধ্যে গ্রাম ও শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ গ্রেপ্তার স্বাধীনতার ৫৫ বছর—প্রশ্ন রয়ে গেছে!

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

Un24admin
আপডেটঃ : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন। তার এই ভাষণ যুদ্ধে মুক্তিসেনাদের প্রেরণা হিসাবে কাজ করে।

১৯৪৭ সালে ধর্মীয় চিন্তা, সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা ও দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তা, জাতীয়তাবোধ ও জাতিরাষ্ট্র গঠনের ভিত রচিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চের এই দিনের (৭ মার্চ) পড়ন্ত বিকালে বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দেন শেখ মুজিবুর রহমান। সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

৭ মার্চ ঢাকা ছিল মানুষের শহর। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছিল বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার জন্য। নানা স্লোগানে ঢাকা শহর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ৭ মার্চের এ ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের তথ্য মতে, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকা বেতারে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ রিলে না করার প্রতিবাদে বেতারে কর্মরত বাঙালি কর্মচারীরা কাজ বর্জন করেন এবং বিকেল থেকে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সব অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ রিলে করা হবে-এ ঘোষণার পর সারা বাংলায় শ্রোতারা অধীর আগ্রহে রেডিও সেট নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। শেষ মুহূর্তে সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বেতার কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে। তখন কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। গভীর রাতে সামরিক কর্তৃপক্ষ ঢাকা বেতারে ভাষণের পূর্ণ বিবরণ প্রচারের অনুমতি দিলে ভাষণ দিয়ে ঢাকা বেতার কেন্দ্র পুনরায় চালু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ