• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলা, শিশু ও নারীসহ গুলিবিদ্ধ-১৫ হাদি হত্যায় ভারতে গ্রেফতার দুজনকে ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না: এ্যানী চৌধুরী দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে ভোমরা স্থলবন্দর মোহাম্মদপুরে তেল কম দেওয়ায় অস্ত্র দেখিয়ে পাম্প কর্মচারীকে হুমকি খালেদা জিয়ার শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা গ্রহণ করলেন নাতনী জাইমা রহমান সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, আহত ১০ টি-টোয়েন্টিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত নারীদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

Un24admin
আপডেটঃ : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন। তার এই ভাষণ যুদ্ধে মুক্তিসেনাদের প্রেরণা হিসাবে কাজ করে।

১৯৪৭ সালে ধর্মীয় চিন্তা, সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা ও দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তা, জাতীয়তাবোধ ও জাতিরাষ্ট্র গঠনের ভিত রচিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চের এই দিনের (৭ মার্চ) পড়ন্ত বিকালে বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দেন শেখ মুজিবুর রহমান। সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

৭ মার্চ ঢাকা ছিল মানুষের শহর। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছিল বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার জন্য। নানা স্লোগানে ঢাকা শহর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ৭ মার্চের এ ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের তথ্য মতে, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকা বেতারে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ রিলে না করার প্রতিবাদে বেতারে কর্মরত বাঙালি কর্মচারীরা কাজ বর্জন করেন এবং বিকেল থেকে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সব অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ রিলে করা হবে-এ ঘোষণার পর সারা বাংলায় শ্রোতারা অধীর আগ্রহে রেডিও সেট নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। শেষ মুহূর্তে সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বেতার কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে। তখন কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। গভীর রাতে সামরিক কর্তৃপক্ষ ঢাকা বেতারে ভাষণের পূর্ণ বিবরণ প্রচারের অনুমতি দিলে ভাষণ দিয়ে ঢাকা বেতার কেন্দ্র পুনরায় চালু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ