আনলিমিটেড নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার স্ত্রী আফরিনের বিরুদ্ধে নয় লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ পেয়েছে দুদক। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ১১ মাসে শেখ তাপসের ২৭টি ব্যাংক একাউন্টে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য রয়েছে।
অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে তাপস দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। সংস্থাটি বলছে, তাপসসহ অর্থ পাচার মামলায় পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে আইনি পদক্ষেপ নেবে তারা।
এদিকে, অযোগ্য মেয়রের তালিকায় থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় হুঙ্কার দিলেও তলেতলে নিজেই গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়।
শুধু শেখ পরিবারের সন্তান হওয়ায় নামমাত্র আইনজীবী থেকে রাতারাতি বনে যান এমপি। সেখান থেকে একলাফে হয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র। শেখ তাপস মেয়র থাকা অবস্থায় ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ এর ১৯ আগস্ট পর্যন্ত তার ২৭টি ব্যাংক একাউন্টে প্রায় সাড়ে পাঁচশ’ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। তাপস দম্পতি এ সময়ের মধ্যে নয় লাখ মার্কিন ডলার পাচার করেছে।
দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রায় ৮০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। তাপস দম্পতির দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা দিলেও তাদের বর্তমান অবস্থান জানে না সংস্থাটি।
এছাড়াও, প্রশ্নে ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার পিএসসি’র সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, তার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুদক। পরিবারটির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও প্রায় ৪৬ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক।