• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকর্মী কারাগারে

Un24admin
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক রিপোর্টঃ পেট্রল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবনসহ ৭ জনকে আটকের পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে বাস মালিকদের পক্ষে সাইফ নোমান ও সৃজনী ফিলিং স্টেশনের পক্ষে শামসুল কবীর মিলন বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন।

এদিন দুপুর ২টার দিকে তাদের সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক মোখলেছুর রহমানের আদালতে পাঠানো হয়। বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তারা হলেন—জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবন, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হাসান অন্তর, ‘দ্য রেড জুলাই’ এর আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাঈম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, তাশদিদ হাসান ও রাসেল।

এদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় তাজ ফিলিং স্টেশনে পেট্রল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব। এ ঘটনায় র‌্যাব ও পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত পাম্পের ৩ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে।

নীরব হত্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওই নেতাকর্মীরা পেট্রল পাম্প ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়, তবে পুলিশের তৎপরতায় তারা একই মালিকের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এরপর রাত সোয়া তিনটার দিকে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা রয়েল পরিবহনের দুইটি ও জে লাইন পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পেট্রল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও মোবাইল ট্রাকিং করে হামলাকারীদের শনাক্তের পর আটক করা হয়।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজা বলেন, ‘প্রতিটি অপরাধই আইনের দৃষ্টিতে খারাপ।

আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক। পেট্রল পাম্প ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই নিরাপরাধ ব্যক্তি রয়েছে। ফলে আইনের প্রয়োগ যেনো সঠিক হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ