রাজনৈতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ বাংলাদেশের মালিকানা এ দেশের জনগণের। ক্ষমতার লোভে যদি কেউ বাংলাদেশের মাটি, বায়ু, পানি অন্য কোনো রাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করতে চায়, তবে আমরা রাজপথে থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টেন্ডার যেন চাঁদাবাজদের হাতে না যায়, এ কথা বলার পর রামদা, চাপাতি ও হকিস্টিক নিয়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলা করেছে। হবিগঞ্জে আমরা চিকিৎসা নিতে পারিনি, হাসপাতালে গিয়ে হামলা করা হয়েছে। ঢাকাতেও হাসপাতালে আক্রমণ করা হয়েছে, চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের সন্ত্রাসী দল ছাত্রদল-যুবদল, আজ তোমাদের বলব, তোমরা কোথায়? আজ রাজপথে দেখা যাচ্ছে না কেন? বাসায় ঘুমিয়ে আছো, নাকি পালিয়ে গেছ? পালানোর জায়গা পাবে না। জনতা জেগে উঠেছে।
ইসলাম ও সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামীতে ইসলাম এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র শুরু হবে। আপনারাই একমাত্র প্রহরী, যারা এটা রক্ষা করবেন। জীবন দিয়ে হলেও এটা রক্ষা করতে হবে। আগামীতে দেখা যাবে কারা বাংলাদেশের পক্ষে, আর কারা বিপক্ষে; কারা লন্ডনের, কারা দিল্লির, আর কারা ঢাকার অনুসারী। মুখে মুখে বললেই প্রমাণ হবে না।
হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, লড়াইটা এখন বাংলাদেশের সংস্কারের লড়াই, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লড়াই, শহীদদের বিচারের লড়াই। আপনারা আসুন, এই লড়াইয়ে অংশ নিন। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না। ইসলাম আমাদের বাতিলের বিরুদ্ধে কথা বলতে শিখিয়েছে। বাতিলের সঙ্গে কোনো নেগোসিয়েশন (আপস) নয়- এই শিক্ষা আপনারাই আমাদের দিয়েছেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে ১১-দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য দেন।