• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অতীতে বিমা খাত কমিশন ব্যবসার খাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে‍‍‍‌‌ ন্যাশনাল লাইফের বোর্ড সেক্রেটারি আব্দুল ওহাব মিয়ানের ইন্তেকাল ফরিদপুরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সাথে বিএমডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ সহস্রাধিক রাজধানীর কাঁটাবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে, দুইজনের মৃত্যু শাহবাগে আবাসিক ভবন থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার মাদকবিরোধী সচেতনতায় পপুলার লাইফের প্রথম পুরস্কার অর্জন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে ঘুষ লেনদেন ১২,৬৩৩ কোটি টাকা: টিআইবি লক্ষ্মীপুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা কবে ফিরবে!

Un24admin
আপডেটঃ : বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা কবে ফিরবে!
সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা কবে ফিরবে!

আনলিমিটেড নিউজঃ খাগড়াছড়ি সাজেকের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাতশ এর মতো পর্যটক আটকে পড়েছেন। সোমবার (১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে বাঘাইহাট বাজারে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়ায় সড়ক এবং বেইলি ব্রিজ তলিয়ে যায়। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মঙ্গলবার রাতে কথা বলে জানা গেছে, আটকেপড়া পর্যটকরা ভালো আছেন। সবাই যার যার মতো ঘুরে বেড়িয়েছেন। তাদের জন্য হোটেলের রুমও ফ্রি দেওয়া হচ্ছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, আটকেপড়া পর্যটকরা ভালো আছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। অন্য স্বাভাবিক দিনের মতোই পর্যটকরা আনন্দ করছেন। সবাই নিরাপদেই রুমে ফিরেছেন।

তিনি বলেন, কটেজ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকে আটকেপড়া পর্যটকদের জন্য রুম ভাড়া ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। সাজেকে এখন বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার মজুত আছে। পর্যটকদের খাবারের কোনো অভাব হবে না।

তিনি বলেন, সাজেকে মঙ্গলবার বিকেল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে না। সারারাত যদি আর বৃষ্টি না হয় তাহলে বুধবার সকালে পর্যটকরা সাজেক থেকে চলে যেতে পারবেন।

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়। ফলে সাজেকে ছোটবড় মিলিয়ে ১২৫টি গাড়িতে আসা পর্যটকরা আটকা পড়েন।

বাঘাইছড়ির ইউএনও শিরীন আক্তার বলেন, ভারি বর্ষণের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। উপজেলায় ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও এখনও কেউ আসেনি। আর বাঘাইহাট সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত কেউ বের হতে পারবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ