• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ : কৃষিমন্ত্রী মাদক নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর সড়ক দুর্ঘটনার শিকার প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী সপ্তাহের সেরা দিন জুম্মাবার গাছা থানায় এনসিপি নেতা সিফাত গ্রেফতার বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের যশোর অফিসে কোটি টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহ উদযাপন শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু বীমা খাতে গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষা ও বকেয়া দাবি নিষ্পত্তিতে আইডিআরএর কঠোর অবস্থান

সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, অপেক্ষা ট্রাম্পের স্বাক্ষরের

Un24admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করার জন্য ৬০ দিনের একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকেরা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে তাঁর চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন দুজন মার্কিন কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত আঞ্চলিক একটি সূত্র। ইরানও এখন পর্যন্ত এই সমঝোতা চুক্তিটি মেনে নেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে তা হবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি। তবে ট্রাম্পের পরমাণু সংক্রান্ত দাবিগুলোর স্থায়ী সমাধান করে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে সামনে আরও দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন হবে।

আলোচনার সঙ্গে জড়িত একজন মার্কিন কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘এটি মূলত সবাইকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার একটি চুক্তি। মূল আলোচনার টেবিলেই আমরা বাকি খুঁটিনাটি বিষয়গুলো সমাধান করব।’

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার নাগাদ এই চুক্তির শর্তাবলি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল, তবে উভয় পক্ষেরই শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানি প্রতিনিধিরা পরবর্তীতে ফিরে এসে জানান যে এতে তাঁদের অনুমোদন রয়েছে এবং তাঁরা স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত। যদিও ইরান এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

এদিকে মার্কিন আলোচকেরা চূড়ান্ত চুক্তির বিস্তারিত বিবরণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবহিত করলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এতে সই করেননি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

হরমুজ প্রণালিতে মুক্ত চলাচল: হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল হবে সম্পূর্ণ ‘অবাধ ও উন্মুক্ত’। এর অর্থ হলো কোনো ধরনের শুল্ক (টোল) আদায় করা যাবে না এবং কোনো জাহাজকে হয়রানি করা যাবে না। একই সঙ্গে ইরানকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই প্রণালি থেকে সমস্ত সামুদ্রিক মাইন অপসারণ করতে হবে।

অবরোধ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল: যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হবে, তবে তা হবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিকতার সমান্তরালে। এ ছাড়া ইরান যাতে অবাধে তেল বিক্রি করতে পারে, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্র কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি: সমঝোতা স্মারকে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই ৬০ দিনের সময়সীমার মধ্যে প্রথম আলোচনা হবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কীভাবে স্থানান্তর বা ধ্বংস করা যায় এবং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বিনিময়ে, আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা তহবিল মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করতে সম্মত হবে।

মানবিক সহায়তা ও আঞ্চলিক শান্তি: ইরান যাতে আন্তর্জাতিক পণ্য ও মানবিক সহায়তা পেতে পারে, সে জন্য একটি বিশেষ কার্যপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। এ ছাড়া, এই সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও উল্লেখ থাকবে। সূত্র: অ্যাক্সিওস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ