• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হচ্ছে খামেনির মরদেহ মোল্লা নজরুলসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৮ জনের মৃত্যু ব্রাজিলকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টারে নরওয়ে তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আছে : চিফ প্রসিকিউটর সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ এমবাপ্পের পেনাল্টিতে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে শেষ আটে ফ্রান্স ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরিশাল বিভাগে পপুলার লাইফের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

মুরাদনগরে এক উপদেষ্টার ত্রাসের রাজত্ব তৈরির অপচেষ্টা চলছে: কায়কোবাদ

Un24admin
আপডেটঃ : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

আনলিমিটেড নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ অভিযোগ করেছেন, কুমিল্লার মুরাদনগরে একটি মহল ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কিছু সদস্য এবং ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা দায়ী।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কায়কোবাদ বলেন, আমি একটি দলের রাজনীতি করি, তাই বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য না করাই উচিত। তবে মুরাদনগরে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা উদ্বেগজনক এবং এর পেছনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের কিছু সদস্য এক যুবক উপদেষ্টার তদবিরে মুরাদনগরে অবস্থান নিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকার কথা থাকলেও, এখানে তারা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।

কায়কোবাদ দাবি করেন, মুরাদনগরে প্রশাসনিক পদে রদবদল এনে কিছু লোকজনকে পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে, যারা আগে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। “এসপি ও ওসি বদলির পর পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। সেইসঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা কিছু দুষ্কৃতিকারী আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে,” যোগ করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ নামের ওই উপদেষ্টাকে ঘিরেই অভিযোগের তীর ছোড়েন কায়কোবাদ। তার ভাষায়, এই তরুণ উপদেষ্টা দলে যোগ না দিলেও দলের হয়ে কাজ করছেন এবং তার প্রভাবেই প্রশাসন পক্ষপাত দেখাচ্ছে। সরকারি সাহায্য বণ্টন থেকে শুরু করে এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম—সবকিছুতেই তাদের হাত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মুরাদনগরে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে—এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বর্বরোচিত। অথচ মূল অভিযুক্তদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি, অথচ আমাদের ৭০-৮০ বছরের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হচ্ছে।

কায়কোবাদ তদন্তের দাবিতে বলেন, এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সৎ ও সাহসী তদন্ত কর্মকর্তার অধীনে তদন্ত ছাড়া সত্য উন্মোচিত হবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগে কিছু সন্ত্রাসী গ্রুপ আছে, যারা এখনো তৎপর। তারাই দলকে বিতর্কিত করেছে। সাধারণ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ভিন্ন। কিন্তু এই সন্ত্রাসীদের উৎসাহ দেওয়ার ফলেই তারা আজ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছে।

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে কায়কোবাদ বলেন, “৯১-৯৬ সালের মধ্যে আমাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল। এখন সেই চক্রই আবার সক্রিয় হয়ে আমাকে দমন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমি এখনও রাজনীতি করছি এবং জনগণের পাশে আছি।”

শেষে তিনি বলেন,এই অন্যায় ও অবিচারের বিচার একদিন হবেই। যারা নিরপরাধ নেতাকর্মীদের জেলখানায় পাঠিয়েছে, তাদের বিচার হবে এই দুনিয়াতেই অথবা হাশরের ময়দানে। আল্লাহর উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ