• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রবাসীদের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা : আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা সচিবালয়ে কড়াকড়ি: এমপিদের গাড়িতেও অতিরিক্ত ব্যক্তি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনে কী বলা হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাস ভবনে হামলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত নোয়াখালীতে ৪ কোটি ৩১ লাখ ৬৪ হাজার টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সালাউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে যে মন্তব্য করলেন উমামা

Un24admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

রাজনৈতিক ডেস্কঃ নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তার ‘সাথী’ পদ বাতিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সালাউদ্দীন আম্মারকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। তিনি বলেন, উড়ে আসা নেতাদের মধ্যে সালাউদ্দিন আম্মার অন্যতম। উমামার স্ট্যাটাসটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো।

‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা মানুষ উড়ে এসে নেতা হয়েছে। সালাউদ্দিন আম্মার তাদের অন্যতম। জুলাই আন্দোলনের সময় সকল ছাত্র সংগঠনকে মাইনাস করে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের(গুপ্তশিবির) লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার কারণে ৫ আগস্টের পরে যদু-মধু-কদু এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছে। যেই শুয়োরের বাচ্চারা জুলাই এর স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ভাই-ব্রাদার কোরাম আর শিবিরের হাতে বন্দি করছে, তোদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। মোনাফেকের দল। বিএনপি খারাপ, ওর খারাপ চোখে দেখা যায়। দেশকে নিয়ে আন্দোলনের পর যারা ছেলেখেলা করছে তারা সব দখল করতে চাইছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্টগুলোকে আমি মোটেও নিরীহভাবে দেখিনা। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ফেসবুক ম্যানিপুলেশন যথেষ্ট, তাই পর্দার আড়ালের ইন্টারেস্ট গ্রুপগুলা সময়ে সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জুলাইয়ের নামে ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট জেনারেট করে। তরুণদের মধ্যে হিরো হিসেবে ম্যানুফ্যাচারড ফিগার আছে অনেক, যারা তরুণদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করতে কাজ করছে। আমি মায়ানমারের দিকে তাকালে ভয় পাই। রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্য ফেসবুক অত্যন্ত এফিশিয়েন্ট টুল ছিল।

এগুলা সম্ভব হইছে আমাদের মধ্যবিত্তের- রাজনীতির ঘৃণা থেকে জুলাইয়ে হঠাৎ চোখ ফুটার কারণে, আর সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেট করে আজকে একে তো কালকে ওকে হিরো বানানোর কারণে।

বাংলাদেশের জার্নি এতদিন ছিল ৫০ বছরের। এখন তো জামায়াতের কারণে হিস্ট্রি ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকে শুরু করতে হয়। একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে দেশের রাজনীতি। জামায়াত আর আওয়ামী লীগে কোনো পার্থক্য নেই। জামায়াত তাদের গণহত্যার কালিমা ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি আছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ